Your Vat Calculate

Your Vat Calculate
Click this image and Calculate Your VAT

Saturday, March 28, 2026

QR Code Generator Free For Lifetime With qrgenerator.org

The QR Generator helps you generate print-quality QR codes for free. It allows you to make brandable and custom QR codes for your business. Start creating with a few clicks and download in various formats such as transparent PNG, editable SVG Vector, or PDF.



Monday, January 19, 2026

Tuesday, December 30, 2025

হো লাল মেরি (পাট) রাখিও বালা ঝুলে লালরে (हो… लाल मेरी पत रखियो भला झूले लालन) / Ho… Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan

মূলত গানটি ৩০/১২/২০২৫ এ ফেইসবুকে আমার এক ভাইয়ের পরণে লাল রঙের পাকিস্তানি আদলের পোষাক পরা দেখে কমেন্টে শুধু লাল মেরি শব্দটা লিখি কিন্তু কেনো যেনো মনে হলো গানের কলিটা ভুল লিখছি। তাই ইন্টারনেটে সার্চ দিয়ে দেখলাম হা আমি ভুল লিখছি তবে এই গানটি সংগ্রহ করেছি আমি আরেকজনের ব্লগ থেকে। 

আবার ঐ ব্লগে একজন কমেন্ট করছেন এই গানের বাংলা অর্থ কি তাও আবার আমি ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করেছি। আপনারা ভাবতে হবে এই গানের অর্থ এবং কেনো এই গানটি লিখা হয়েছে তা সহ আমি আমার ব্লগে তুলে ধরলাম।

সাথে আবারও বলছি ব্লগের পুরো লেখাটি সংগৃহীত। লেখার শেষে গান এবং এই গানের বাংলা অর্থ যিনি লিখেছেন উনাদের দুজনের ব্লগ পেজের লিংক আমি নীচে দিয়ে দিবো।

কস্ট করে আমার লেখাটি পড়ার জন্য আপনাদের অনেক ধন্যবাদ।

হো লাল মেরি (পাট) রাখিও বালা ঝুলে লালরে
সিন্দিরিদা সেবর দা সাকিসাবাস কালান্দার
দমাদম মাস্ত কালান্দার আলীদা বম্বে আন্দার
দমাদম মাস্ত কালান্দার আলীদা প্যায়লা নাম্বার।।

চার চারাগ তেরে বরন হামেশা
পাঞ্জয়ামে বাবেরে আয়ী বালা ঝুলে লালরে।।

হিন্দ সিন্দ পিরা তেরি নাওগাত বাজে
লালবাজে ঘড়ি আলেবালা ঝুলে লালরে।।

হরদম পিরা তেরি ঘাঘর হোবে
নাম আলী বেরা আরে লাগা ঝুলে লালরে।।

এই গানটি যে ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি তার লিংক দিলাম >>>এখানে>>>> 

আর এই গানের অর্থ এবং কেনো লিখা হয়েছে তার কিছু সংক্ষিপ্ততা নীচে তুলে ধরলাম:-

ভূমিকাঃ- রুনা লাইলার মুখে " দমা দম মাস্ত কালান্দার " নামে কাওয়ালী গানটা শুনেননি এমন কেউ বঙ্গ দেশে আছেন কিনা আমার কিশ্চিৎ সন্দেহ আছে । গানটার মূল উদ্দেশ্য , ইতিহাস বা এই গানের বিন্দুমাত্র অর্থ না জেনেই গানটা অদ্ভুত কারণে অনেকের কাছেই খুব প্রিয় । সম্প্রতি এক চাঁদনী পসর রাতে আবিদ ভাইয়ের মোবাইলে " দমা দম মাস্ত কালান্দার " এর যত ধরণের ভার্সন সবকটা শোনা শেষে গানটা দুই কানের মাঝের গহব্বরে পারদের মত জমে গিয়েছিল । যেখানেই যাই সেইখানেই মাথার ভেতর গানটা বাজতে থাকে । অবশেষে গানটা কান থেকে বের করতে এক নীতি দীর্ঘ গবেষণা করতে হয়েছে । যাইহোক গানটির অর্থ ও ইতিহাস আসলেই চমকপ্রদ ।
ইতিহাসঃ- পাকিস্তান আমলে (৫০-৬০ দশকে) সিন্দ অঞ্চলের জামশোর জেলার সেহওয়ান নামক একটি গ্রামে ওসমান মারিন্দি-র মাজার ছিল । অনেকটা লালনের মত । আধ্যাত্মিক গানের চর্চার জন্য জায়গাটা এখনো বিখ্যাত । একদিন সেখানে মরুভূমির মধ্য থেকে উঠে এসে এক জিপসী বালিকা একটি উর্দু গান (পাঞ্জাবী বুনিয়াদী গান) গাইলো আর রেডিও পাকিস্তান গানটি ধারণ করে রাখলো। বালিকাটি যেভাবে সহসা এলো তেমনি সহসাই গায়েবও হয়ে গেলো । বাকিটা ইতিহাস । গানটা হিট হয়ে গেলো । বহু বছর পার হয়ে গিয়েছে । পাকিস্তান , ভারত . বাংলাদেশের বহু গায়ক-গায়িকাই গানটি গেয়েছেন । উল্লেখ্য জিপসী বালিকাটিকে পরিচয় খুঁজে পাওয়া যায়নি । তবে এতটুকু জানা যায় , বালিকাটি যে জিপসি বা বানজারান সম্প্রদায়ের অর্ন্তগত তারা রাজস্থান ও গুজরাট এর ফোক গানে অনেক অবদান রেখেছে ও রেখে চলেছে ।

গানটির রচয়িতার নাম বা রচনাকাল সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানা যায়নি; তবে এটি সিন্ধ অঞ্চলের সূফী লালবাবা শাহবাজ কালান্দার তথা সৈয়দ মুহাম্মদ উসমান মারওয়ান্দি (১১৪৯-১২৭৪) এর সম্মানে রচিত । যদিও বলা হয়ে থাকে যে এই কাওয়ালিটি আমীর খসরুর মূল প্রার্থনা থেকে নেয়া যেটি পরবর্তিতে বুল্লেহ শাহ পরিমার্জন করেন এবং তাতে তার পীর লালবাবা শাহবাজ কালান্দার-এর স্তুতি যোগ করেন। সৈয়দ মুহাম্মদ উসমান মারওয়ান্দি বা লাল শাহবাজ কালান্দার সিন্ধু , পাকিস্তানের একজন সুফি দার্শনিক-কবি ছিলেন । তিনি সোহরাওয়ার্দিয়া ত্বরিকার অনুসারী ছিলেন । বলে রাখি - সোহরাওয়ারর্দিয়া ত্বরিকা হল সুফি আবুল নাজিব সোহরাওয়ার্দি‌ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত সুফি তরিকা। এটি সুন্নি ইসলামের অন্তর্গত এবং এতে শাফি মাজহাব মানা হয়। গানের মধ্যে তার ছাপ পাওয়া যায় । এই লালবাবা শাহবাজ কালান্দার হিন্দু ও মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য সাধনের জন্য বিশেষ অবদান রেখেছেন।

সূফী 'শাহবাজ কালান্দার'-এর অতীন্দ্রবাদ সর্বধর্মের মানুষকেই আকৃষ্ট করেছে। উনাকে 'লাল' নামে ডাকা হতো, কারণ তিনি লাল রঙের পোষাক পরতেন। 'শাহবাজ' বলা হতো কারণ তিনি মহৎ ছিলেন ও 'কালান্দার' বলা হতো কারণ তিনি সূফী সাধক ছিলেন। এছাড়া চিরকুমার সাধু যারা উচ্চ আধ্যাত্মিক স্তরে পৌঁছেছেন তাঁদেরও কালান্দার বলা হয়। 'শাহবাজ কালান্দার'-কে তার ভক্তরা ঝুলেলাল-ও বলতো । বাবা বুল্লে শাহ ও লালবাবা শাহবাজ কালান্দারের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে পাঞ্জাবের উভয় অংশেই। এই অঞ্চলের সূফীবাদে, বিশেষতঃ সঙ্গীতে তাদের ব্যাপক প্রভাব আছে; যেমনটি আছে বাংলাদেশে হাছন রাজা , লালন শাহ্ আর মাইজভান্ডারীর।
গানের অর্থঃ-
Ho… Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan
ও লাল পোষাকী! আমাকে চিরকাল রক্ষা কর, ও ঝুলেলাল
Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan
ও লাল পোষাকী! আমাকে চিরকাল ভালো রেখো, ও ঝুলেলাল
Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar
সিন্ধ ও সেহওয়ানের হযরত, শাহবাজ কালান্দার
Duma Dum Mast Kalandar, Ali Da Pehla Number
ও লাল পোষাকী! বুক ফাটা কালান্দার, আলীই চিরকাল ছিলেন পহেলা নাম্বার
Duma Dum Mast Kalandar, Sakhi Shahbaz Kalandar
ও লাল পোষাকী! বুক ফাটা কালান্দার, ও মহৎ শাহবাজ কালান্দার
Ho… Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan
ও লাল পোষাকী! আমাকে চিরকাল রক্ষা কর, ও ঝুলেলাল
Laal Meri Pat Rakhiyo Bhala Jhoole Laalan
ও লাল পোষাকী! আমাকে চিরকাল ভালো রেখো, ও ঝুলেলাল
Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar
সিন্ধ ও সেহওয়ানের হযরত, শাহবাজ কালান্দার
Ho Laal Meri, Haaye Laal Meri…
ও লাল পোষাকী! হায় লাল পোষাকী!
Ho… Chaar Chiraag Tere Baran Hamesha (x2)
তোমার মাজার চিরকাল চার চেরাগ দ্বারা আলোকিত ছিলো
Char Chiraag Tere Baran Hamesha
তোমার মাজার চিরকাল চার চেরাগ দ্বারা আলোকিত ছিলো
Paanjwaan Ve Palan Aaiyaan Bala Jhoole Laalan
I’ve come here to light the fifth lamp in Your honour, O Jhoolelaal
আমি এসেছি তোমার সম্মানে পঞ্চম চেরাগটি জ্বালাতে, ও ঝুলেলাল
Ho… Paanjwaan Ve Palan
পঞ্চম চেরাগটি জ্বালাতে
Ho… Paanjwaan Ve Palan Aaiyaan Bala Jhoole Laalan
আমি এসেছি তোমার সম্মানে পঞ্চম চেরাগটি জ্বালাতে, ও ঝুলেলাল
Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar
সিন্ধ ও সেহওয়ানের হযরত, শাহবাজ কালান্দার
Ho… Jhanan Jhanan Teri Naubat Baaje (x2)
তোমার ঢোল বাজে (তোমার বীরোচিত নামে)
Jhanan Jhanan Teri Naubat Baaje
ঝানান ঝানান তোমার নহবৎ বাজে
Laal Baje Ghadiyal Bala Jhoole Lalan
ঢোল জোরে জোরে বাজতে থাকুক তোমার গৌরবে, দিন রাত বাজুক, ও ঝুলেলাল
Ho... Laal Baje
ঢোল বাজতে থাকুক
Laal Baje Ghadiyal Bala Jhoole Lalan
ঢোল জোরে জোরে বাজতে থাকুক তোমার গৌরবে, দিন রাত বাজুক, ও ঝুলেলাল
Sindhri Da Sehwan Da Sakhi Shahbaz Kalandar
সিন্ধ ও সেহওয়ানের হযরত, শাহবাজ কালান্দার
Arre Dum Dum Dum Dum Dum Dum Ali Ali (x3)
আমার প্রতিটি নিঃশ্বাসে আছে আলী

এই গানটির সংক্ষিপ্ততা যে ব্লগ থেকে সংগ্রহ করেছি তার লিংক দিলাম >>>এখানে>>>> 

Tuesday, December 23, 2025

জয়তুনের তেল বা অলিভ অয়েল – সৌন্দর্য ও সুস্থতার যোগসূত্র এর সংক্ষিপ্ততা জানুন

বিশেষ জ্ঞাতব্য:

এই পোস্ট এর সম্পূর্ণ লেখা সংগৃহীত এবং নীচে এর মূল পোস্ট এর লিংক দেয়া হলো।

“তোমরা জয়তুনের তেল খাও এবং শরীরে মাখ। কেননা, তা বরকতময় গাছ থেকে নি:সৃত।” – তিরমিযী। অলিভ অয়েল একটি উপকারী পণ্য। জয়তুন ফল থেকে এই তেল হয়। জয়তুন এমন এক ফল যার কসম দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তা’আলা। সূরা আত-ত্বীন এর প্রথম লাইনে এই ফলের কসম করে আয়াত নাজিল করেছেন মহান আল্লাহ তা’আলা আর এর গাছকে আখ্যায়িত করেছেন মুবারাক গাছ হিসেবে। সূরা মুমিনুন এর বিশ নম্বর আয়াতে উল্লেখ আছে, ‘আর এক বৃক্ষ যা সিনাই পাহাড় হতে উদ্গত হয়, যা আহারকারীদের জন্য তেল ও তরকারি উৎপন্ন করে।’ শুধু কুরআনেই নয় বরং এই ফল ও গাছের উল্লেখ আছে পূর্ববর্তী কিতাবেও। তাইতো ইহুদীরা এই গাছের পাতাকে শান্তির প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করে। জয়তুনের তেল বা অলিভ অয়েল ত্বক ও দাঁড়ির যত্নে যেমন কার্যকরী তেমনি শারীরিক সুস্থতায়ও এর ভূমিকা রয়েছে।


জয়তুনের তেলের উপকারিতাঃ
জয়তুনের তেল ত্বক, চুল, দাঁড়ি,মাড়ি ও সর্বপরি দেহের আভ্যন্তরীন সুস্থতার জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এতে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস ও আয়োডিন সার্বিক ভাবে সুস্থতায় ভূমিকা রাখে। পবিত্র কোরআনে মোট ৭ জায়গায় জয়তুনের উল্লেখ আছে। এতো ফজিলতপূর্ণ এই ফলের উপকারিতা এবার জেনে নেওয়া যাক –

দাঁড়ির যত্নে জয়তুনের তেল
ইসলামে দাঁড়ির গুরুত্ব অপরিসীম। আল্লাহর রাসুল (সা.) দাড়ি রাখার আদেশ করেছেন বিধায় দাঁড়ি রাখা ওয়াজিব। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর রাসুল (সা.) মোঁচ কাটার ও দাড়ি লম্বা করার আদেশ করেছেন।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১/১২৯)। আর ইসলাম সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা কে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। হাদিসে আছে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলা সুন্দর এবং তিনি সৌন্দর্যকে ভালোবাসেন।” (মুসলিম ১/৬৫)। এই হাদিসের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইবনুল কাইয়েম রহঃ বলেছেন, ব্যপকার্থে সব কিছুই অর্থাৎ, জামা কাপড়, জুতা – স্যান্ডেল থেকে শুরু করে চুল – দাঁড়ি সব কিছুই এই সৌন্দর্যের অধীনস্ত। দাঁড়ির যত্নে জয়তুনের তেলের ব্যবহার হয়ে আসছে বহু আগে থেকে। চুল ও দাঁড়িতে জয়তুন তেল এর ব্যবহার চুল ও দাঁড়ি সাদা হয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে। গোসলের পূর্বে দাঁড়িতে এর ব্যবহারের ফলে দাঁড়ির নিচের ত্বক ভালো থাকে। নবী করিম (সাঃ) দাঁড়ির যত্নে এই তেল ব্যবহার করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামদেরও ব্যবহারের জন্য উৎসাহিত করতেন।

ত্বকের যত্নে জয়তুন তেল
জয়তুন তেলে রয়েছে ভিটামিন ই যা ত্বকের যত্নে উপকারি। এই ভিটামিন ই ত্বককে ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়লেট রশ্মি হতে সুরক্ষা দেয়। ক্ষতিকর এই রশ্মি ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টি করতে সক্ষম। এছাড়া অতিরিক্ত কোষ বিভাজন নিয়ন্ত্রণ করেও ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাসে সক্ষম এই জয়তুনের তেল। আবার এই তেল অ্যালার্জি প্রতিহত করতেও সহায়ক। পাশাপাশি এতে বিদ্যমান ভিটামিন ই ত্বকের লাবন্য ধরে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। গর্ভাবস্থায় তলপেটে সৃষ্ট সাদা দাগ যা স্ট্রেচ মার্ক হিসেবে পরিচিত তা দূর করতেও অনেকে এই তেল মালিশ করে থাকে।

হৃদযন্ত্রের সুস্থতায়
জয়তুনের তেলে রয়েছে অলেইক অ্যাসিড যা হৃদসুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। এছাড়া এই তেল রক্তের খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল (LDL) কমিয়ে হৃদপিন্ডকে ভালো রাখে। রক্তচাপ কমাতেও এর ভূমিকা লক্ষ্যনীয়। এতে বিদ্যমান মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডও হৃদপিন্ডের জন্য উপকারি। এই তেলে বিদ্যমান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রক্তনালীতে চর্বি জমা প্রতিহত করে রক্তনালী ব্লক হয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।

অন্যান্য রোগ নিরাময়ে
আলঝেইমার বা স্মৃতি বিভ্রম, রক্ত শূন্যতা বা অ্যানিমিয়া প্রতিহত করতে এই তেল বিশেষ উপকারী। তাছাড়া শরীরের ব্যথা নিরাময়ে এই তেল দিয়ে মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়। এমনকি দাঁতের যত্নেও এর ভূমিকা রয়েছে। তাছাড়া যৌন উদ্দীপনা বৃদ্ধিতে এবং প্রজনন প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে এই তেল বিশেষ কার্যকরী।

যেভাবে গ্রহণ করা যাবে জয়তুন তেলঃ
রান্নায় এই তেল ব্যবহার করা যায়। রান্নার পাশাপাশি সালাদের ড্রেসিং হিসেবেও এর ব্যবহার লক্ষ্যনীয়। অনেকে আবার খালি তেলও গ্রহণ করে থাকেন। এছাড়া মালিশের কাজে জয়তুন তেলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

বহুগুণ সম্পন্ন জয়তুনের তেল বর্তমানে স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তিদের নিকট বিশেষ গুরুত্ববহ। তবে এর থেকে সঠিক উপকার পেতে চাই ভালো মানের তেল। তাছাড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় নষ্ট হয়ে যেতে পারে এর অনেক গুণাগুণ। তাই এই তেল সংগ্রহের পূর্বে অবশ্যই এর গুণগত মান সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া আবশ্যক।

লেখাটি স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য পোস্ট করা হয়েছে তবে মূল পোস্ট টি এই লিংকে ক্লিক করলে দেখতে পারবেন।

Tuesday, August 19, 2025

Canon Laser Shot LBP-1210 Printer Driver Download (LBP1210 Printer Driver)

Canon Laser Shot LBP-1210 Driver Download for Windows XP, Vista, Windows 7, 8, 8.1, 10, 11, Server 2000 to 2016 32bit, Linux and Mac OS.

Wednesday, July 30, 2025

FREE AI Online Watermark Remover with WatermarkRemover.io

WatermarkRemover.io is an AI-powered tool that lets you quickly eliminate watermarks instantly.


Wednesday, July 23, 2025

AI Photo Enhancer

 

Enhance Image Quality Automatically with Pica AI

Experience the magic of AI photo enhancement. See the difference our image enhancer can make to your images!




Sunday, July 13, 2025

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট চেক/যাচাইয়ের করার নিয়ম


আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন অনলাইনে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট কাটছে কিন্তু তাদের টিকিট বুকিং হয়েছে কিনা জানেন না। তাই অনলাইনে ট্রেনের টিকিট চেক করার নিয়ম জানুন।

আপনি চাইলে এখন ঘরে বসে আপনার হাতে থাকা মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে ট্রেনের টিকিট কিনতে পারবেন।

অনেক সময় দেখা যায় আপনি অনলাইন থেকে টিকিট কিনছেন কিন্তু একই সিট দুই জনের নামে বুকিং হয়েছে। তাই টিকিট কেনার পরে অবশ্যই চেক বা ভেরিফাই করে নিতে হবে।

আপনি যখন নিজের প্রোফাইল থেকে টিকিট কিনবেন তখন সেটা আর চেক করা লাগবে না। তবে যখন অন্য কারও দ্বারা অনলাইনে ট্রেনের টিকিট ক্রয় করবেন তখন অবশ্যই চেক করে নিবেন।

প্রথমে এই https://eticket.railway.gov.bd লিংকে ক্লিক করবেন তারপর Login এ ক্লিক করে আপনার মোবাইল নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে একাউন্ট এ ঢুকতে হবে।


তারপর উপরে লক্ষ করুন Verify Ticket লিখা আছে সেখানে ক্লিক করুন এবং ট্রেনের টিকেটে ব্যবহার করা মোবাইল নম্বর এবং টিকেটের উপরের অংশে থাকা PNR Number লিখুন। এবার নিচের থাকা Verify Ticket অপশনে ক্লিক করলে Ticket Verified দেখতে পাবেন এবং আপনার ভ্রমণ রুট দেখাবে ঠিক নীচের ইমেজ এর মতো।


এই নিয়মগুলির আরও বিস্তারিত জানতে >>>>>ই-সেবা বিডি এর পেজ এ ঘুরে আসতে পারেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকেট বুকিং বা অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম



অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার জন্য eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। নাম, ইমেইল এবং মোবাইল নম্বর দিয়ে একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করুন।

জাতীয় পরিচয় পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদ নম্বর এবং অন্যান্য তথ্য ব্যবহার করে প্রোফাইল আপডেট করুন।

আপনার যাত্রার স্টেশন ও গন্তব্য অনুযায়ী নিদিষ্ট তারিখের ট্রেন সার্চ করুন। ট্রেনের আসন নির্বাচন করে অনলাইনে পেমেন্ট করে ট্রেনের টিকিট বুকিং করুন।

eticket.railway.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে বাংলাদেশ রেলওয়ে টিকেট বুকিং করার বিস্তারিত প্রক্রিয়া জানতে নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ করুন।


ধাপ ১ : একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করুন
আপনার মোবাইল বা কম্পিউটার থেকে যেকোনো একটি ব্রাউজার ওপেন করে এই ওয়েবসাইট eticket.railway.gov.bd ভিজিট করুন।

রেজিষ্ট্রেশন করার জন্য আপনার Full Name, E-mail, Mobile Number, Password, NID / Birth Certificate Number, Post Code এবং Address লিখে Sign Up অপশনে ক্লিক করে একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করুন।

ধাপ ২ : মোবাইল ভেরিফাই করুন
আপনার মোবাইল নম্বরে ৬ ডিজিটের ভেরিফিকেশন কোড পাঠানো হবে। উক্ত কোড নম্বর দিয়ে একাউন্ট ভেরিফাই করে নিবেন।

উক্ত ভেরিফিকেশন কোডটি লিখে নিচে থাকা Continue অপশনে ক্লিক করুন। আপনার একাউন্ট রেজিষ্ট্রেশন করার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে।

ধাপ ৩ : একাউন্টে লগইন করুন
একাউন্ট ভেরিফাই করার পরে স্বয়ংক্রিয় ভাবে আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে প্রোফাইল লগইন হয়ে যাবে।

যদি লগইন না হয় তাহলে এখন এবং ভবিষ্যতে ট্রেনের টিকিট বুকিং করার জন্য ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে উপরে ডানপাশে Login অপশনে ক্লিক করে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করুন। আপনার প্রোফাইলের সকল তথ্য গুলো আপডেট করুন।

ধাপ ৪ : টিকিট বুকিং করার জন্য ট্রেন সার্চ করুন
আপনি কোন স্টেশন থেকে যাত্রা করবেন আর কোন স্টেশনে যাত্রা শেষ করবেন সেই অনুযায়ী ট্রেন সার্চ করুন।From : আপনি যে স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করতে চান সেই জায়গায় নাম লিখুন।

To : আপনি যে স্টেশনে যাত্রা শেষ করবেন সেই স্টেশনের নাম লিখুন।
Date of Journey : যে তারিখে যাত্রা করবেন সেই তারিখ সিলেক্ট করুন।
Choose Class : আপনি যে ধরনের সিট নিতে চান সেটা সিলেক্ট করুন।
শেষে Find Ticket অপশনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৫ : ট্রেন ও সিট সিলেক্ট করুন
এখানে যে তারিখে আপনি যাত্রা করতে চান উক্ত তারিখের সকল ট্রেন গুলো দেখানো হবে। পছন্দের ট্রেন সিলেক্ট করে Book Now অপশনে ক্লিক করে সিট সিলেক্ট করুন।

সবুজ রঙের সিট গুলো ফাঁকা আছে। সেখান থেকে পছন্দের সিট সিলেক্ট করুন। আর লাল রঙের সিট গুলো বুকিং করা হয়ে গেছে।

View Seats অপশনে ক্লিক করে সিট বুকিং করুন। শিশুদের টিকেটের মূল্য পরের অপশনে সমন্বয় করা হবে। তারপর Continue Purchase অপশনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৬ : ট্রেনের যাত্রীর তথ্য লিখুন
আপনি যে সিট গুলো বুকিং করছেন, সেই যাত্রীদের নাম এবং যাত্রীগণ শিশু নাকি বয়স্ক সিলেক্ট করুন। যাত্রীর বয়স ৩ বছর থেকে ১২ বছর হলে শিশু থাকলে Passenger Type Child সিলেক্ট করুন।

ধাপ ৭ : টিকিটের মূল্য পরিশোধ করুন
টিকিটে মোট ভাড়ার পরিমাণ, ভ্যাট, সার্ভিস চার্জ মিলে টোটাল ভাড়ার পরিমাণ দেখানো হবে। টিকেটের মূল্য পরিশোধ করার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বা ডেভিড/ক্রেডিট কার্ড অপশন থেকে যেকোনো একটি সিলেক্ট করে মূল্য পরিশোধ করুন।

ধাপ ৮ : ট্রেনের টিকিট প্রিন্ট করুন
মূল্য পরিশোধ করার পরে বাংলাদেশ রেলওয়ে ই টিকিট সিস্টেম থেকে আপনার টিকিট ইস্যু করা হবে। আপনার ইমেইল নম্বরে টিকিটের একটি কপি পাঠানো হবে। ইমেইলের Inbox এ না পাওয়া গেলে Spam Folder চেক করুন।

তাছাড়া আপনি স্বয়ংক্রিয় ভাবে ব্রাউজার থেকে উক্ত টিকিট সংগ্রহ করে সংগ্রহ করে টিকিটটি A4 কাগজে প্রিন্ট করে নিবেন।

এই নিয়মগুলির আরও বিস্তারিত জানতে >>>>>ই-সেবা বিডি এর পেজ এ ঘুরে আসতে পারেন।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট চেক করার নিয়ম জানতে এখানে ক্লিক করুন

Monday, May 19, 2025

Remove the background from your image for free with adobe express

Remove the background from your image for free
Easily remove the background from images in Adobe Express, the quick and easy create-anything app. Continue editing your image in Adobe Express to quickly change the background, add graphics, and more.